প্রিন্ট এর তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
সৈয়দপুরে দিল্লি চিপস কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা
মো. সাইফুল ইসলাম , নীলফামারী প্রতিনিধি ||
নীলফামারীর সৈয়দপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিপস তৈরি, অননুমোদিত রং, শিল্প লবণ ও রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগে ‘দিল্লি চিপস’ কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) উপজেলার নতুন বাবুপাড়া এলাকায় অবস্থিত কারখানাটিতে অভিযান চালিয়ে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩৮ ধারায় এ অর্থদণ্ড করা হয়। জেলা প্রশাসক, নীলফামারীর নির্দেশনায় উপজেলা প্রশাসন, সৈয়দপুর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়, নীলফামারীর যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।অভিযান সূত্রে জানা যায়, কারখানাটিতে চিপস উৎপাদনে অননুমোদিত রং, শিল্প লবণ ও অননুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহার করতে দেখা যায়। এছাড়া উৎপাদন ও কাঁচামাল ক্রয়-বিক্রয়ের কোনো চালান বা রশিদ সংরক্ষণ করা হয়নি। একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিপস তৈরি ও সংরক্ষণ করা হচ্ছিল। এসব অনিয়মের কারণে নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ৩৮ ধারায় প্রতিষ্ঠানটিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শিহাব উদ্দীন বলেন, “কারখানাটিতে খাদ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে অননুমোদিত রং, শিল্প লবণ ও রাসায়নিক ব্যবহারের পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিপস তৈরি ও সংরক্ষণের বিষয়টি পাওয়া গেছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় চালান ও রশিদ সংরক্ষণ করা হয়নি। নিরাপদ খাদ্য আইন অনুযায়ী এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”তিনি আরও বলেন, “জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই অনুমোদিত উপকরণ ব্যবহার, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে হবে।”অভিযান পরিচালনা করেন সৈয়দপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সাব্বির হোসেন। এ সময় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়, নীলফামারীর নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. শিহাব উদ্দীন, দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক, নমুনা সংগ্রহ সহকারী ও সহায়ক কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে সৈয়দপুর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল সহযোগিতা করে।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনের ক্ষেত্রে অনিয়ম, ভেজাল বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত আজকের ডোমার