আজকের ডোমার

খেলা

মাদক রোধে খেলাধুলাকেই হাতিয়ার করতে চান জয়নাল

মাদক রোধে খেলাধুলাকেই হাতিয়ার করতে চান জয়নাল

মোবাইল ফোন ও অনলাইন আসক্তির পাশাপাশি মাদকের ঝুঁকিও বাড়ছে তরুণদের মধ্যে। মাঠ ও খেলার পরিবেশ থেকে দূরে সরে কিশোর-তরুণদের একটি অংশ দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছে মোবাইলের পর্দায়। অন্যদিকে মাদকের সহজলভ্যতা ও নানা সামাজিক কারণে অনেকে জড়িয়ে পড়ছে নেশায়। এ পরিস্থিতিতে খেলাধুলাকে মাদক ও অনলাইন আসক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছেন ক্রীড়াপ্রেমী মো. জয়নাল আবেদীন।

তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করছেন তিনি। তাঁর লক্ষ্য, কিশোর-তরুণদের মাঠমুখী করা এবং খেলাধুলার মধ্য দিয়ে তাদের সুস্থ জীবনযাপনে উৎসাহিত করা।

জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষা করতে এখনই আমাদের সবাইকে নতুন করে শপথ নিতে হবে। তরুণ সমাজকে মাদকের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে খেলাধুলাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। খেলাধুলার মাধ্যমে মাদক ও অনলাইন আসক্তি থেকে তরুণ প্রজন্মকে বের করে আনতে হবে।’

তিনি বলেন, শুধু আধুনিক খেলাধুলা নয়, হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোও ফিরিয়ে আনতে হবে। এসব খেলার আয়োজন শিশু-কিশোরদের মাঠের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি গ্রামীণ সামাজিক বন্ধনও জোরদার করবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, মাদক প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ক্রীড়া ক্লাব, সমিতি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে এ কাজে সম্পৃক্ত করা গেলে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব। শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, উন্নয়নকর্মী, সমবায়কর্মী, ক্রীড়া সংগঠক ও সমাজের সচেতন ব্যক্তিদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘মাদক নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনের নিরপেক্ষ ও কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন। মাদক বিক্রির পথ বন্ধ না করে শুধু মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে শাস্তি দিলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না।’

তিরি বলেন, মাদকের প্রভাব এখন আর শুধু ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর কারণে ভাঙছে পরিবারও। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাদক কেনার টাকা না পেয়ে মা-বাবার ওপর সন্তানের নির্যাতন এবং হত্যার মতো ঘটনাও প্রকাশিত হচ্ছে। আবার মাদকাসক্ত সন্তানকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার আশায় অসহায় মা-বাবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। সন্তানের ভবিষ্যৎ রক্ষায় মা-বাবার এমন কঠিন সিদ্ধান্ত মাদকের সামাজিক বিস্তারের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে। পরিবারে মাদকাসক্ত একজন সদস্যের কারণে অন্য সদস্যদের জীবনও অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পড়ে।

জয়নাল আবেদিন আরোও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে দেশে সরকারি আইন ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকের সরবরাহ ও অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, জনসচেতনতা এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের মতো কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-তে মাদকের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা কমানো এবং অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধের আইনি কাঠামো রয়েছে।

তবে এসব উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের মতে, পরিবারে সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম বাড়াতে হবে। একসময় গ্রামবাংলার মাঠে নিয়মিত হতো হাডুডু, গোল্লাছুট, দাড়িয়াবান্ধা, কানামাছি, লাঠিখেলাসহ নানা ঐতিহ্যবাহী খেলা। প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে এসব খেলার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এর সঙ্গে কমেছে মাঠে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিও।

জয়নাল আবেদীনের উদ্যোগ হলো—ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি এসব ঐতিহ্যবাহী খেলাও ফিরিয়ে আনা। তাঁর মতে, পাড়া-মহল্লা ও গ্রামে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হলে তরুণদের অবসর সময় ইতিবাচক কাজে ব্যয় হবে। এতে মাদক ও অনলাইন আসক্তির ঝুঁকিও কমবে।

তিনি বলেন, ‘একটি মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে শুধু সচেতনতার কথা বললে হবে না, তরুণদের সামনে বিকল্পও তৈরি করতে হবে। খেলার মাঠ সেই বিকল্প হতে পারে। সমাজের সবাই এগিয়ে এলে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে একটি দীর্ঘমেয়াদি মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব।’

সচেতন মহলের মতে, মাদকবিরোধী কার্যক্রমের সঙ্গে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে সমন্বিত করা গেলে তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ জন্য মাঠ সংরক্ষণ, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, স্থানীয় ক্লাবগুলোকে সক্রিয় করা এবং তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত খেলাধুলার সুযোগ তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ জরুরি।

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের পাশাপাশি তরুণদের হাতে বই ও ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দিয়ে মাঠমুখী করার উদ্যোগই হতে পারে একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়ার অন্যতম পথ—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের ডোমার

বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাদক রোধে খেলাধুলাকেই হাতিয়ার করতে চান জয়নাল

প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মোবাইল ফোন ও অনলাইন আসক্তির পাশাপাশি মাদকের ঝুঁকিও বাড়ছে তরুণদের মধ্যে। মাঠ ও খেলার পরিবেশ থেকে দূরে সরে কিশোর-তরুণদের একটি অংশ দীর্ঘ সময় কাটাচ্ছে মোবাইলের পর্দায়। অন্যদিকে মাদকের সহজলভ্যতা ও নানা সামাজিক কারণে অনেকে জড়িয়ে পড়ছে নেশায়। এ পরিস্থিতিতে খেলাধুলাকে মাদক ও অনলাইন আসক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছেন ক্রীড়াপ্রেমী মো. জয়নাল আবেদীন।


তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করছেন তিনি। তাঁর লক্ষ্য, কিশোর-তরুণদের মাঠমুখী করা এবং খেলাধুলার মধ্য দিয়ে তাদের সুস্থ জীবনযাপনে উৎসাহিত করা।


জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষা করতে এখনই আমাদের সবাইকে নতুন করে শপথ নিতে হবে। তরুণ সমাজকে মাদকের বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে খেলাধুলাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। খেলাধুলার মাধ্যমে মাদক ও অনলাইন আসক্তি থেকে তরুণ প্রজন্মকে বের করে আনতে হবে।’


তিনি বলেন, শুধু আধুনিক খেলাধুলা নয়, হারিয়ে যেতে বসা গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোও ফিরিয়ে আনতে হবে। এসব খেলার আয়োজন শিশু-কিশোরদের মাঠের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি গ্রামীণ সামাজিক বন্ধনও জোরদার করবে।


সংশ্লিষ্টদের মতে, মাদক প্রতিরোধে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সামাজিক প্রতিরোধ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ক্রীড়া ক্লাব, সমিতি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে এ কাজে সম্পৃক্ত করা গেলে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো সম্ভব। শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, উন্নয়নকর্মী, সমবায়কর্মী, ক্রীড়া সংগঠক ও সমাজের সচেতন ব্যক্তিদের নিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।


জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘মাদক নির্মূলে সামাজিক প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে। একই সঙ্গে মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনের নিরপেক্ষ ও কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন। মাদক বিক্রির পথ বন্ধ না করে শুধু মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে শাস্তি দিলে সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না।’


তিরি বলেন, মাদকের প্রভাব এখন আর শুধু ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; এর কারণে ভাঙছে পরিবারও। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাদক কেনার টাকা না পেয়ে মা-বাবার ওপর সন্তানের নির্যাতন এবং হত্যার মতো ঘটনাও প্রকাশিত হচ্ছে। আবার মাদকাসক্ত সন্তানকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার আশায় অসহায় মা-বাবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। সন্তানের ভবিষ্যৎ রক্ষায় মা-বাবার এমন কঠিন সিদ্ধান্ত মাদকের সামাজিক বিস্তারের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে। পরিবারে মাদকাসক্ত একজন সদস্যের কারণে অন্য সদস্যদের জীবনও অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে পড়ে।


জয়নাল আবেদিন আরোও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে দেশে সরকারি আইন ও প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকের সরবরাহ ও অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, জনসচেতনতা এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের মতো কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-তে মাদকের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা কমানো এবং অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধের আইনি কাঠামো রয়েছে।


তবে এসব উদ্যোগের পাশাপাশি সামাজিক পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের মতে, পরিবারে সন্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং মাদকবিরোধী সচেতনতা কার্যক্রম বাড়াতে হবে। একসময় গ্রামবাংলার মাঠে নিয়মিত হতো হাডুডু, গোল্লাছুট, দাড়িয়াবান্ধা, কানামাছি, লাঠিখেলাসহ নানা ঐতিহ্যবাহী খেলা। প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে এসব খেলার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। এর সঙ্গে কমেছে মাঠে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিও।


জয়নাল আবেদীনের উদ্যোগ হলো—ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি এসব ঐতিহ্যবাহী খেলাও ফিরিয়ে আনা। তাঁর মতে, পাড়া-মহল্লা ও গ্রামে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা হলে তরুণদের অবসর সময় ইতিবাচক কাজে ব্যয় হবে। এতে মাদক ও অনলাইন আসক্তির ঝুঁকিও কমবে।


তিনি বলেন, ‘একটি মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে শুধু সচেতনতার কথা বললে হবে না, তরুণদের সামনে বিকল্পও তৈরি করতে হবে। খেলার মাঠ সেই বিকল্প হতে পারে। সমাজের সবাই এগিয়ে এলে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে একটি দীর্ঘমেয়াদি মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা সম্ভব।’


সচেতন মহলের মতে, মাদকবিরোধী কার্যক্রমের সঙ্গে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে সমন্বিত করা গেলে তরুণদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ জন্য মাঠ সংরক্ষণ, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, স্থানীয় ক্লাবগুলোকে সক্রিয় করা এবং তরুণদের জন্য পর্যাপ্ত খেলাধুলার সুযোগ তৈরিতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ জরুরি।


মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের পাশাপাশি তরুণদের হাতে বই ও ক্রীড়া সামগ্রী তুলে দিয়ে মাঠমুখী করার উদ্যোগই হতে পারে একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত প্রজন্ম গড়ার অন্যতম পথ—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আজকের ডোমার


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত আজকের ডোমার