আজকের ডোমার

ডোমার

ডোমারে যে কারণে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র(টিটিসি) প্রয়োজন

ডোমারে যে কারণে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র(টিটিসি) প্রয়োজন
ছবি - এআই

নীলফামারীর সীমান্তবর্তী ডোমার উপজেলায় একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) স্থাপন এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কৃষিনির্ভর এ উপজেলার বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী উচ্চশিক্ষা কিংবা কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগের অভাবে বেকারত্বের মুখোমুখি হচ্ছেন।ফলে বিপুল পরিমাণে বেকারত্বের সংখ্যা বেড়েছে,অন্যদিকে অনেকেই বিদেশে কাজ করতে আগ্রহী হলেও প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের অভাবে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের "উপজেলা পর্যায়ে ৫০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন" প্রকল্পের আওতায় ডোমারে একটি টিটিসি স্থাপনের সিদ্ধান্ত স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডোমারে টিটিসি চালু হলে ইলেকট্রিক্যাল, প্লাম্বিং, ওয়েল্ডিং, রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং, কনস্ট্রাকশন, কম্পিউটার, হাউসকিপিং, টেইলরিংসহ বিভিন্ন আধুনিক ট্রেডে প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে উপজেলার তরুণরা দেশীয় শিল্প-কারখানার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে কাজের সুযোগ পাবেন।

বর্তমানে এসব প্রশিক্ষণ নিতে ডোমারের শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শহর, জেলা সদর বা অন্য জেলায় যেতে হয়। এতে সময় ও অর্থ—দুই-ই বেশি ব্যয় হয়। নিজ উপজেলায় টিটিসি স্থাপিত হলে সহজেই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন স্থানীয় যুবক-যুবতীরা।

এছাড়া একটি টিটিসি স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, বৈদেশিক রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং এলাকার সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত জমি নির্বাচন ও নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে ডোমারে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করা হলে উপজেলার হাজারো তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং ডোমার দক্ষ জনশক্তি গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবএ গড়ে উঠবে।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের ডোমার

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬


ডোমারে যে কারণে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র(টিটিসি) প্রয়োজন

প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর সীমান্তবর্তী ডোমার উপজেলায় একটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) স্থাপন এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কৃষিনির্ভর এ উপজেলার বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণী উচ্চশিক্ষা কিংবা কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগের অভাবে বেকারত্বের মুখোমুখি হচ্ছেন।ফলে বিপুল পরিমাণে বেকারত্বের সংখ্যা বেড়েছে,অন্যদিকে অনেকেই বিদেশে কাজ করতে আগ্রহী হলেও প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও প্রশিক্ষণের অভাবে কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।


প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের "উপজেলা পর্যায়ে ৫০টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন" প্রকল্পের আওতায় ডোমারে একটি টিটিসি স্থাপনের সিদ্ধান্ত স্থানীয় মানুষের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, ডোমারে টিটিসি চালু হলে ইলেকট্রিক্যাল, প্লাম্বিং, ওয়েল্ডিং, রেফ্রিজারেশন ও এয়ার কন্ডিশনিং, কনস্ট্রাকশন, কম্পিউটার, হাউসকিপিং, টেইলরিংসহ বিভিন্ন আধুনিক ট্রেডে প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে উপজেলার তরুণরা দেশীয় শিল্প-কারখানার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে কাজের সুযোগ পাবেন।


বর্তমানে এসব প্রশিক্ষণ নিতে ডোমারের শিক্ষার্থীদের বিভাগীয় শহর, জেলা সদর বা অন্য জেলায় যেতে হয়। এতে সময় ও অর্থ—দুই-ই বেশি ব্যয় হয়। নিজ উপজেলায় টিটিসি স্থাপিত হলে সহজেই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন স্থানীয় যুবক-যুবতীরা।


এছাড়া একটি টিটিসি স্থাপনের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা, বৈদেশিক রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং এলাকার সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত জমি নির্বাচন ও নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে ডোমারে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করা হলে উপজেলার হাজারো তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং ডোমার দক্ষ জনশক্তি গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবএ গড়ে উঠবে।


আজকের ডোমার


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত আজকের ডোমার