বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহাসিক প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’-এর ক্রিকেট ইভেন্টে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চমক দেখিয়েছে ডোমারের কিশোরী ক্রিকেটার আফনান জামান অথৈ। অধিনায়ক হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিযোগিতার শেষ ধাপে মাত্র ৩৬ বলে ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফরমার হিসেবে নজর কেড়েছে সে।
অথৈ ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ ট্যালেন্টস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তার স্থায়ী ঠিকানা নীলফামারীর ডোমার উপজেলার পশ্চিম হরিণচড়া গ্রাম। সে মরহুম রুহুল আমিন হেডমাস্টারের নাতনি এবং মো. আতাউজ্জামান আতা ও ইভা আকতারের মেয়ে।
মেয়ের এই অনন্য সাফল্যে বাবা মো. আতাউজ্জামান আতা বলেন, “অথৈ ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি অসম্ভব অনুরাগী ও কঠোর পরিশ্রমী। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেটে তার একাগ্রতা দেখে আমরা সবসময় তাকে উৎসাহিত করেছি। আজ সে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আমাদের পরিবারসহ পুরো ডোমার, নীলফামারী ও কেরানীগঞ্জবাসীকে গর্বিত করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “দেশের হয়ে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করার যে স্বপ্ন অথৈ লালন করছে, তা যেন বাস্তবে রূপ নেয়—এজন্য সবার ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা চাই।”
ভবিষ্যতে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া অথৈর মূল স্বপ্ন। সেই স্বপ্নপূরণের পথে দেশবাসীর কাছে আন্তরিক দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছে ডোমারের এই খুদে ক্রিকেট বিস্ময়।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহাসিক প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’-এর ক্রিকেট ইভেন্টে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে চমক দেখিয়েছে ডোমারের কিশোরী ক্রিকেটার আফনান জামান অথৈ। অধিনায়ক হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিযোগিতার শেষ ধাপে মাত্র ৩৬ বলে ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা পারফরমার হিসেবে নজর কেড়েছে সে।
অথৈ ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ ট্যালেন্টস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। তার স্থায়ী ঠিকানা নীলফামারীর ডোমার উপজেলার পশ্চিম হরিণচড়া গ্রাম। সে মরহুম রুহুল আমিন হেডমাস্টারের নাতনি এবং মো. আতাউজ্জামান আতা ও ইভা আকতারের মেয়ে।
মেয়ের এই অনন্য সাফল্যে বাবা মো. আতাউজ্জামান আতা বলেন, “অথৈ ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি অসম্ভব অনুরাগী ও কঠোর পরিশ্রমী। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেটে তার একাগ্রতা দেখে আমরা সবসময় তাকে উৎসাহিত করেছি। আজ সে ঢাকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আমাদের পরিবারসহ পুরো ডোমার, নীলফামারী ও কেরানীগঞ্জবাসীকে গর্বিত করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “দেশের হয়ে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করার যে স্বপ্ন অথৈ লালন করছে, তা যেন বাস্তবে রূপ নেয়—এজন্য সবার ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা চাই।”
ভবিষ্যতে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া অথৈর মূল স্বপ্ন। সেই স্বপ্নপূরণের পথে দেশবাসীর কাছে আন্তরিক দোয়া ও আশীর্বাদ চেয়েছে ডোমারের এই খুদে ক্রিকেট বিস্ময়।

আপনার মতামত লিখুন