নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের নিজপাড়া এলাকায় মশার কয়েলের আগুন থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘরবাড়ি, গরু-ছাগল, মোটরসাইকেল, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ২ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে নাউতারা নিজপাড়া এলাকার মোশাররফ হোসেন মাস্টারের বাড়ির সামনে দলিল লেখক মো. ফারিকুল ইসলাম আলমের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ঘরবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের ভয়াবহতা দেখে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
আগুনে ঘরবাড়িসহ গরু, ছাগল, মোটরসাইকেল, হাঁস-মুরগি ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও মালামাল পুড়ে যায়। এতে পরিবারটির ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের ২ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আকস্মিক এ অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটি এখন অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছে।
প্রাথমিকভাবে মশার কয়েলের আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ ও মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের নিজপাড়া এলাকায় মশার কয়েলের আগুন থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ঘরবাড়ি, গরু-ছাগল, মোটরসাইকেল, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় ২ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে নাউতারা নিজপাড়া এলাকার মোশাররফ হোসেন মাস্টারের বাড়ির সামনে দলিল লেখক মো. ফারিকুল ইসলাম আলমের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ঘরবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের ভয়াবহতা দেখে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
আগুনে ঘরবাড়িসহ গরু, ছাগল, মোটরসাইকেল, হাঁস-মুরগি ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও মালামাল পুড়ে যায়। এতে পরিবারটির ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের ২ লাখ টাকারও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আকস্মিক এ অগ্নিকাণ্ডে পরিবারটি এখন অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছে।
প্রাথমিকভাবে মশার কয়েলের আগুন থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ ও মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন