নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি সক্রিয় গ্রেনেড উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৩)। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আশির উদ্দিন শাহের পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে ওই পুকুরে একটি গ্রেনেড পড়ে থাকার খবর পেয়ে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়। খবর পেয়ে র্যাব-১৩-এর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুরটি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। পরে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় গ্রেনেডটি উদ্ধার করে।
অভিযানে নীলফামারী র্যাব-১৩-এর স্কোয়াড কমান্ডার এ টি এম তৌহিদুল ইসলাম, কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির এবং রংপুর র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সার্জেন্ট আব্দুল বারীসহ র্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় পুলিশ সদস্যরাও ঘটনাস্থলে ছিলেন।
র্যাবের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত এবং এখনও সক্রিয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ সময় পানিতে পড়ে থাকার পরও গ্রেনেডটি কীভাবে সক্রিয় অবস্থায় ছিল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
র্যাব সূত্র জানায়, পুকুরটিতে আরও কোনো গ্রেনেড বা বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ কারণে ঘটনাস্থলে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে পুকুরে আরও তল্লাশি চালানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে আসছেন। হঠাৎ সেখানে সক্রিয় গ্রেনেড উদ্ধারের ঘটনায় আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
র্যাব-১৩-এর এএসপি তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সদস্যরা গ্রেনেডটি উদ্ধার করেন। তবে গ্রেনেডটি পুকুরে কীভাবে এল এবং সেখানে আরও কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
র্যাব জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় বা ধ্বংস করার বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পুকুরটিতে আরও বিস্ফোরক থাকার সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয়দের উদ্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো বিস্ফোরক বা গ্রেনেডসদৃশ বস্তু পাওয়া গেলে তা স্পর্শ না করে দ্রুত পুলিশ বা র্যাবকে খবর দিতে হবে।

শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুরে একটি পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি সক্রিয় গ্রেনেড উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৩)। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আশির উদ্দিন শাহের পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে ওই পুকুরে একটি গ্রেনেড পড়ে থাকার খবর পেয়ে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়। খবর পেয়ে র্যাব-১৩-এর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুরটি ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়। পরে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বিশেষ প্রক্রিয়ায় গ্রেনেডটি উদ্ধার করে।
অভিযানে নীলফামারী র্যাব-১৩-এর স্কোয়াড কমান্ডার এ টি এম তৌহিদুল ইসলাম, কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবির এবং রংপুর র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সার্জেন্ট আব্দুল বারীসহ র্যাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় পুলিশ সদস্যরাও ঘটনাস্থলে ছিলেন।
র্যাবের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত এবং এখনও সক্রিয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। দীর্ঘ সময় পানিতে পড়ে থাকার পরও গ্রেনেডটি কীভাবে সক্রিয় অবস্থায় ছিল, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।
র্যাব সূত্র জানায়, পুকুরটিতে আরও কোনো গ্রেনেড বা বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ কারণে ঘটনাস্থলে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে পুকুরে আরও তল্লাশি চালানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে আসছেন। হঠাৎ সেখানে সক্রিয় গ্রেনেড উদ্ধারের ঘটনায় আশপাশের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
র্যাব-১৩-এর এএসপি তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সদস্যরা গ্রেনেডটি উদ্ধার করেন। তবে গ্রেনেডটি পুকুরে কীভাবে এল এবং সেখানে আরও কোনো বিস্ফোরক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
র্যাব জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া গ্রেনেডটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় বা ধ্বংস করার বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পুকুরটিতে আরও বিস্ফোরক থাকার সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয়দের উদ্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো বিস্ফোরক বা গ্রেনেডসদৃশ বস্তু পাওয়া গেলে তা স্পর্শ না করে দ্রুত পুলিশ বা র্যাবকে খবর দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন