আজকের ডোমার

সারাদেশ

শেষ সময়ে জমে উঠেছে নীলফামারী চেম্বারের নির্বাচনী প্রচারণা

শেষ সময়ে জমে উঠেছে নীলফামারী চেম্বারের নির্বাচনী প্রচারণা

নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন ঘিরে শেষ সময়ে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নিজেদের পক্ষে ভোট চাইছেন। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা, চেম্বারের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তাঁরা।

আগামী ২২ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীদের প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে নীলফামারীর ব্যবসায়ী মহল। প্যানেলভিত্তিক প্রচারণার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রার্থী ব্যক্তিগতভাবেও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে তিনজন, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দুজন, সহ-সভাপতি পদে তিনজন, নির্বাহী সদস্য (সাধারণ গ্রুপ) পদে ১৮ জন এবং নির্বাহী সদস্য (সহযোগী গ্রুপ) পদে আটজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও নীলফামারী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি সোহেল পারভেজ, নীলফামারী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুব উর রহমান এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড বিজনেস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের (আইবিডব্লিউএফ) জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ।

নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের প্রচারণায় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, চেম্বারের সেবা সহজীকরণ, নতুন উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং জেলার শিল্প ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চেম্বারের নেতৃত্বে কারা আসছেন, তা নিয়ে তাঁদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা—নতুন নেতৃত্ব ব্যবসায়ীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি স্থানীয় ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে থাকে। সংগঠনটির নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসা সম্প্রসারণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় তৈরির লক্ষ্য নিয়ে চেম্বার কাজ করছে।

এদিকে নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রার্থীদের ব্যস্ততা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মতবিনিময়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভোট প্রার্থনা এবং সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন তাঁরা। শেষ মুহূর্তে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে প্রার্থীরা ভোটারদের সমর্থন আদায়ে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এমন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে, যারা দল-মত-নির্বিশেষে জেলার ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করবেন এবং নীলফামারীর ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়নের সম্ভাবনাকে আরও এগিয়ে নিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

এবারের নির্বাচনে ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে আগামী দুই বছরের জন্য নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃত্ব কার হাতে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের ডোমার

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬


শেষ সময়ে জমে উঠেছে নীলফামারী চেম্বারের নির্বাচনী প্রচারণা

প্রকাশের তারিখ : ২০ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন ঘিরে শেষ সময়ে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থীরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে নিজেদের পক্ষে ভোট চাইছেন। ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা, চেম্বারের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং জেলার ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তাঁরা।

আগামী ২২ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সামনে রেখে প্রার্থীদের প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠেছে নীলফামারীর ব্যবসায়ী মহল। প্যানেলভিত্তিক প্রচারণার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রার্থী ব্যক্তিগতভাবেও ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে তিনজন, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে দুজন, সহ-সভাপতি পদে তিনজন, নির্বাহী সদস্য (সাধারণ গ্রুপ) পদে ১৮ জন এবং নির্বাহী সদস্য (সহযোগী গ্রুপ) পদে আটজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও নীলফামারী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি সোহেল পারভেজ, নীলফামারী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুব উর রহমান এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যান্ড বিজনেস ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের (আইবিডব্লিউএফ) জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ।

নির্বাচনী মাঠে প্রার্থীদের প্রচারণায় ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, চেম্বারের সেবা সহজীকরণ, নতুন উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং জেলার শিল্প ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন প্রার্থীরা।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চেম্বারের নেতৃত্বে কারা আসছেন, তা নিয়ে তাঁদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা—নতুন নেতৃত্ব ব্যবসায়ীদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি স্থানীয় ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে থাকে। সংগঠনটির নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসা সম্প্রসারণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় তৈরির লক্ষ্য নিয়ে চেম্বার কাজ করছে।

এদিকে নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে প্রার্থীদের ব্যস্ততা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মতবিনিময়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভোট প্রার্থনা এবং সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন তাঁরা। শেষ মুহূর্তে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে প্রার্থীরা ভোটারদের সমর্থন আদায়ে জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ব্যবসায়ী মহলের প্রত্যাশা, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এমন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে, যারা দল-মত-নির্বিশেষে জেলার ব্যবসায়ীদের স্বার্থে কাজ করবেন এবং নীলফামারীর ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পায়নের সম্ভাবনাকে আরও এগিয়ে নিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

এবারের নির্বাচনে ভোটারদের রায়েই নির্ধারিত হবে আগামী দুই বছরের জন্য নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃত্ব কার হাতে যাচ্ছে।


আজকের ডোমার


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত আজকের ডোমার