নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. সুজন ইসলামের মুক্তির দাবিতে পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন তাঁর স্বজন ও কয়েকজন সমর্থক। শনিবার বিকেলে নীলফামারী শহরে এ ঘটনায় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দিয়ে ১০ থেকে ১২ জনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে। আটক ব্যক্তিদের নীলফামারী সদর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার পূর্ব দোহলপাড়া এলাকার মো. সুজন ইসলাম সম্প্রতি একটি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তাঁর মুক্তির দাবিতে শনিবার বিকেলে কয়েকজন স্বজন ও সমর্থক এসপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা সেখানে বিক্ষোভ শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকারীদের সরে যেতে পুলিশ অনুরোধ করে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ তাঁদের ধাওয়া দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করে নীলফামারী সদর থানায় নেওয়া হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মঞ্জু, সামিউল ইসলাম হাফেজ, ছোয়াদ ও আবু সামার নাম জানা গেছে। এ ছাড়া আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশের নথি অনুযায়ী, সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নীলফামারী সদর ও ঢাকার দারুস সালাম থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। নথিতে ২০১৮ ও ২০২১ সালে নীলফামারী সদর থানায় এবং ২০২১ সালে ঢাকার দারুস সালাম থানায় করা মামলার তথ্য রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে একটি মামলায় তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়ার তথ্যও রয়েছে।
সম্প্রতি এসব মামলার একটি ঘটনায় সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর তাঁর মুক্তির দাবিতে স্বজন ও সমর্থকেরা এসপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন।
সুজনের স্বজনদের দাবি, তাঁকে মাদক মামলায় অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা হলে সুজনের বিষয়ে সত্যতা বেরিয়ে আসবে। তাঁরা তাঁর মুক্তির দাবি জানান।
তবে পুলিশের নথিতে সুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলার তথ্য রয়েছে। এসব মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা বা দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন।
এদিকে, এসপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভের ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, আটক ব্যক্তিদের সদর থানায় নিয়ে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার একাধিক মাদক মামলার আসামি মো. সুজন ইসলামের মুক্তির দাবিতে পুলিশ সুপারের (এসপি) কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন তাঁর স্বজন ও কয়েকজন সমর্থক। শনিবার বিকেলে নীলফামারী শহরে এ ঘটনায় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া দিয়ে ১০ থেকে ১২ জনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে। আটক ব্যক্তিদের নীলফামারী সদর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার পূর্ব দোহলপাড়া এলাকার মো. সুজন ইসলাম সম্প্রতি একটি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তাঁর মুক্তির দাবিতে শনিবার বিকেলে কয়েকজন স্বজন ও সমর্থক এসপি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা সেখানে বিক্ষোভ শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকারীদের সরে যেতে পুলিশ অনুরোধ করে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ তাঁদের ধাওয়া দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করে নীলফামারী সদর থানায় নেওয়া হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মঞ্জু, সামিউল ইসলাম হাফেজ, ছোয়াদ ও আবু সামার নাম জানা গেছে। এ ছাড়া আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশের নথি অনুযায়ী, সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নীলফামারী সদর ও ঢাকার দারুস সালাম থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। নথিতে ২০১৮ ও ২০২১ সালে নীলফামারী সদর থানায় এবং ২০২১ সালে ঢাকার দারুস সালাম থানায় করা মামলার তথ্য রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে একটি মামলায় তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়ার তথ্যও রয়েছে।
সম্প্রতি এসব মামলার একটি ঘটনায় সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে আদালতের আদেশে কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর তাঁর মুক্তির দাবিতে স্বজন ও সমর্থকেরা এসপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন।
সুজনের স্বজনদের দাবি, তাঁকে মাদক মামলায় অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা হলে সুজনের বিষয়ে সত্যতা বেরিয়ে আসবে। তাঁরা তাঁর মুক্তির দাবি জানান।
তবে পুলিশের নথিতে সুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলার তথ্য রয়েছে। এসব মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা বা দায়-দায়িত্ব নির্ধারণের বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন।
এদিকে, এসপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভের ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ বলছে, আটক ব্যক্তিদের সদর থানায় নিয়ে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন