আজকের ডোমার

সারাদেশ

নীলফামারীতে ৭৯৪ বস্তা অবৈধ মজুত সার জব্দ, জরিমানা ২০ হাজার

নীলফামারীতে ৭৯৪ বস্তা অবৈধ মজুত সার জব্দ, জরিমানা ২০ হাজার
সংগৃহীত

নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা বাজারে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ৭৯৪ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় দুটি সার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কচুকাটা বাজারের দুটি সার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ ও থানা পুলিশের সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কচুকাটা বাজারের ভাই ভাই ট্রেডার্সের মালিক শহিদুল্লাহ ওরফে যাদু মিয়া নিজ গুদামে অনুমোদন বহির্ভূতভাবে বিপুল পরিমাণ সার মজুত করে রাখেন। পরে এসব সার কৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়।

অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির গুদাম থেকে ৫০০ বস্তা এমওপি, ১৯৩ বস্তা টিএসপি, ৩৭ বস্তা ডিএপি ও ১৮ বস্তা ইউরিয়া—মোট ৭৪৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

একই অভিযানে শাহজাহান ইসলামের মালিকানাধীন মেসার্স মাস্টার ট্রেডার্স থেকেও অবৈধভাবে মজুত করা সার উদ্ধার করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২২ বস্তা ইউরিয়া, ৫ বস্তা টিএসপি, ১২ বস্তা ডিএপি ও ৭ বস্তা এমওপি—মোট ৪৬ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা সারসহ মোট ৭৯৪ বস্তা সার বর্তমানে প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, ‘জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে বিক্রি করা হবে। জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে অবৈধভাবে সার মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, কৃষি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর সুযোগ ঠেকাতে বাজারে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অনুমোদনবহির্ভূত মজুত, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

আজকের ডোমার

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬


নীলফামারীতে ৭৯৪ বস্তা অবৈধ মজুত সার জব্দ, জরিমানা ২০ হাজার

প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নীলফামারী সদর উপজেলার কচুকাটা বাজারে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ৭৯৪ বস্তা সার জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় দুটি সার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কচুকাটা বাজারের দুটি সার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক আহমেদ ও থানা পুলিশের সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন।

অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কচুকাটা বাজারের ভাই ভাই ট্রেডার্সের মালিক শহিদুল্লাহ ওরফে যাদু মিয়া নিজ গুদামে অনুমোদন বহির্ভূতভাবে বিপুল পরিমাণ সার মজুত করে রাখেন। পরে এসব সার কৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়।

অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির গুদাম থেকে ৫০০ বস্তা এমওপি, ১৯৩ বস্তা টিএসপি, ৩৭ বস্তা ডিএপি ও ১৮ বস্তা ইউরিয়া—মোট ৭৪৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

একই অভিযানে শাহজাহান ইসলামের মালিকানাধীন মেসার্স মাস্টার ট্রেডার্স থেকেও অবৈধভাবে মজুত করা সার উদ্ধার করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ২২ বস্তা ইউরিয়া, ৫ বস্তা টিএসপি, ১২ বস্তা ডিএপি ও ৭ বস্তা এমওপি—মোট ৪৬ বস্তা সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে জব্দ করা সারসহ মোট ৭৯৪ বস্তা সার বর্তমানে প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, ‘জব্দ করা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে বিক্রি করা হবে। জরিমানার অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে অবৈধভাবে সার মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, কৃষি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর সুযোগ ঠেকাতে বাজারে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অনুমোদনবহির্ভূত মজুত, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা কৃষকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আজকের ডোমার


কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্ব সংরক্ষিত আজকের ডোমার