মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা নদী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ৩টি লৌহদণ্ড, ১২টি প্লেনশিটের তৈরি লোহার ডালি ও ৬টি বেলচা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সরঞ্জামগুলো বার্ণিঘাট বিজিবি (বিওপি) ক্যাম্পের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান, রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর মেজর জুলকার নাঈন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির।
অভিযানের নিরাপত্তা ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবির ৬২ সদস্যের একটি দল এবং বাংলাদেশ পুলিশের একটি চৌকস দল দায়িত্ব পালন করে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, তিস্তা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টা থেকে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা নদী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান চলাকালে পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ৩টি লৌহদণ্ড, ১২টি প্লেনশিটের তৈরি লোহার ডালি ও ৬টি বেলচা জব্দ করা হয়। জব্দকৃত সরঞ্জামগুলো বার্ণিঘাট বিজিবি (বিওপি) ক্যাম্পের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান, রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর মেজর জুলকার নাঈন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির।
অভিযানের নিরাপত্তা ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবির ৬২ সদস্যের একটি দল এবং বাংলাদেশ পুলিশের একটি চৌকস দল দায়িত্ব পালন করে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, তিস্তা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন