নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ি ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় একটি ব্রিজ দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ব্রিজটির দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ওই গর্তের ওপর বাঁশের জাকলা বিছিয়ে তিন গ্রামের মানুষ, শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেতকীবাড়ি দালানগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাঠানপাড়া যাওয়ার পথে ব্রিজটির অবস্থান। ব্রিজের দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। পারাপারের জন্য স্থানীয়রা গর্তের ওপর বাঁশের জাকলা তৈরি করেছেন। এর ওপর দিয়েই স্কুলের শিক্ষার্থী, পথচারী ও সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
এমনকি অনেককে মোটরসাইকেল নিয়ে ব্রিজের কাছে এসে সেটি ঠেলে বাঁশের জাকলার ওপর দিয়ে পার হতে দেখা যায়। সামান্য অসাবধানতায় যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির দুই পাশের মাটি ভেঙ্গে পরে রয়েছে। আমরা স্থানীয়রা উদ্যোগ নিয়ে বাঁশের জাগলা দিয়েছি, কিন্তু খুব বিপদজনকভাবে সকলে পারাপার হচ্ছি। পাশাপাশি এই পাড়া গুলো থেকে কোন রোগী নিয়ে যেতে চাইলে তিন-চার কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও দীর্ঘদিন ধরে খুব বিপজ্জনকভাবে এদিক দিয়ে পারাপার হচ্ছে। তারা দাবি দাবি জানায়, খুব দ্রুত যেন এই বৃজটি সংস্কার করা হয়।
এ বিষয়ে কেতকীবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম রোমান জানান, আমার ইউনিয়নের ঠাটারীপাড়া এবং পাঠানপাড়া এলাকার মাঝখানে একটি ব্রিজ রয়েছে। এ ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত,আমি চেয়ারম্যান হওয়ার আগে থেকেই অবহেলিত। আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব লোকজনের দুর্ভোগ কমাতে বাঁশের এবং কাঠের বীজ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ব্রিজটি দিয়ে হাই স্কুল প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থী সহ প্রায় হাজারো দুর্ভোগ এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে। তিনি দ্রুত ব্রিজটি করে দেওয়ার জন্য দাবী জানান।
এদিকে ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমান জানান, আমি অবগত রয়েছি, ওটা নিয়ে আমরা কাজ করছি, ওখানে বক্স টাইপ ব্রিজ দেওয়া যায়, কিন্তু ব্রিজ দিলে ভেঙ্গে চলে যাবে। ওখানে পাইলিং লাগবে, আমরা পাইলিং এর ব্যবস্থা করছি। প্রয়োজনে আরো স্পেশাল ভিজিট করব।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ি ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় একটি ব্রিজ দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর ধরে অবহেলিত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ব্রিজটির দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ওই গর্তের ওপর বাঁশের জাকলা বিছিয়ে তিন গ্রামের মানুষ, শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেতকীবাড়ি দালানগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাঠানপাড়া যাওয়ার পথে ব্রিজটির অবস্থান। ব্রিজের দুই পাশের মাটি সরে গিয়ে গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। পারাপারের জন্য স্থানীয়রা গর্তের ওপর বাঁশের জাকলা তৈরি করেছেন। এর ওপর দিয়েই স্কুলের শিক্ষার্থী, পথচারী ও সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
এমনকি অনেককে মোটরসাইকেল নিয়ে ব্রিজের কাছে এসে সেটি ঠেলে বাঁশের জাকলার ওপর দিয়ে পার হতে দেখা যায়। সামান্য অসাবধানতায় যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটির দুই পাশের মাটি ভেঙ্গে পরে রয়েছে। আমরা স্থানীয়রা উদ্যোগ নিয়ে বাঁশের জাগলা দিয়েছি, কিন্তু খুব বিপদজনকভাবে সকলে পারাপার হচ্ছি। পাশাপাশি এই পাড়া গুলো থেকে কোন রোগী নিয়ে যেতে চাইলে তিন-চার কিলোমিটার ঘুরে যেতে হয়। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও দীর্ঘদিন ধরে খুব বিপজ্জনকভাবে এদিক দিয়ে পারাপার হচ্ছে। তারা দাবি দাবি জানায়, খুব দ্রুত যেন এই বৃজটি সংস্কার করা হয়।
এ বিষয়ে কেতকীবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম রোমান জানান, আমার ইউনিয়নের ঠাটারীপাড়া এবং পাঠানপাড়া এলাকার মাঝখানে একটি ব্রিজ রয়েছে। এ ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত,আমি চেয়ারম্যান হওয়ার আগে থেকেই অবহেলিত। আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব লোকজনের দুর্ভোগ কমাতে বাঁশের এবং কাঠের বীজ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। ব্রিজটি দিয়ে হাই স্কুল প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থী সহ প্রায় হাজারো দুর্ভোগ এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে। তিনি দ্রুত ব্রিজটি করে দেওয়ার জন্য দাবী জানান।
এদিকে ডোমার উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জিয়াউর রহমান জানান, আমি অবগত রয়েছি, ওটা নিয়ে আমরা কাজ করছি, ওখানে বক্স টাইপ ব্রিজ দেওয়া যায়, কিন্তু ব্রিজ দিলে ভেঙ্গে চলে যাবে। ওখানে পাইলিং লাগবে, আমরা পাইলিং এর ব্যবস্থা করছি। প্রয়োজনে আরো স্পেশাল ভিজিট করব।

আপনার মতামত লিখুন