নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় রেললাইনে কাটা পড়ে মীর তানভীর আহমেদ (২৯) নামে এক কৃষি কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। তিনি দেবীগঞ্জ কৃষি ফার্মের গম গবেষণা কেন্দ্রের খামার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সোমবার রাতে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের শিমুলতলী সংলগ্ন রেলেগট এলাকা থেকে তার গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করা হলেও দ্বি-,খন্ডিত মাথাটি মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলের পাশে ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার হয়।
নিহত মীর তানভীর আহমেদ মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর বাবা মীর বজলুর রশিদ জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তানভীর তাঁদের পরিবারের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি ৪৫তম বিসিএসে কৃষি কর্মকর্তা পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।
নিহতের বাবা মীর বজলুর রশিদ বলেন, ‘আমাদের পরিবার অত্যন্ত সুখী। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কখনো কোনো কলহ বা বিরোধ ছিল না। তবে দিনাজপুরে কর্মরত থাকার সময় আমার ছেলে ওই এলাকার কয়েকজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিল। সেই বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।’
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়। সিআইডির ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এ ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় রেললাইনে কাটা পড়ে মীর তানভীর আহমেদ (২৯) নামে এক কৃষি কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। তিনি দেবীগঞ্জ কৃষি ফার্মের গম গবেষণা কেন্দ্রের খামার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সোমবার রাতে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের শিমুলতলী সংলগ্ন রেলেগট এলাকা থেকে তার গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করা হলেও দ্বি-,খন্ডিত মাথাটি মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলের পাশে ধান ক্ষেত থেকে উদ্ধার হয়।
নিহত মীর তানভীর আহমেদ মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর বাবা মীর বজলুর রশিদ জাজিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তানভীর তাঁদের পরিবারের দ্বিতীয় ছেলে। তিনি ৪৫তম বিসিএসে কৃষি কর্মকর্তা পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।
নিহতের বাবা মীর বজলুর রশিদ বলেন, ‘আমাদের পরিবার অত্যন্ত সুখী। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কখনো কোনো কলহ বা বিরোধ ছিল না। তবে দিনাজপুরে কর্মরত থাকার সময় আমার ছেলে ওই এলাকার কয়েকজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিল। সেই বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।’
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়। সিআইডির ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাটির সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এ ঘটনায় কেউ জড়িত থাকলে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন